বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির পরীক্ষায় “কোন দিন কি দিবস” এই বিষয়ে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। তাই ২০২৫ সালের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো সম্পর্কে জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। এই ব্লগে আমরা ২০২৫ সালে বাংলাদেশে পালিত হতে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো এবং সেগুলোর তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করব। এটি আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সহায়ক হবে এবং সাধারণ জ্ঞান বাড়াতেও সাহায্য করবে।
প্রতি বছর বাংলাদেশ নানান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন করে, যা আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে তুলে ধরে। ২০২৫ সালেও এই দিবসগুলো উদযাপিত হবে। এই দিবসগুলো কেবল উৎসবের অংশ নয়, বরং সমাজের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং নির্দিষ্ট বিষয়গুলোর গুরুত্ব তুলে ধরতে সহায়ক হয়। এই ব্লগে আমরা ২০২৫ সালের জন্য বাংলাদেশে পালিত দিবসগুলো, তাদের তাৎপর্য এবং কিভাবে এগুলো আপনার চাকরির প্রস্তুতিতে কাজে আসতে পারে, তা আলোচনা করব। আমাদের লক্ষ্য হলো, এই তথ্যগুলো যেন সম্পূর্ণ অর্গানিক, কপিরাইট-মুক্ত এবং গুগল ডিসকভার ও র্যাঙ্কিংয়ের জন্য সহায়ক হয়।
২০২৫ সালের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসের তালিকা
এখানে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে পালিত হওয়া জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা দেওয়া হলো:
- জাতীয় সমাজসেবা দিবস: ২ জানুয়ারি। এই দিনে সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কল্যাণে সরকার ও বিভিন্ন সংগঠনের কাজের প্রচার করা হয়।
- বার্ষিক প্রশিক্ষণ দিবস: ২৩ জানুয়ারি। কর্মশক্তির দক্ষতা ও উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণকে উৎসাহিত করা হয়।
- জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস: ২ ফেব্রুয়ারি। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বাড়ানো এই দিবসের প্রধান লক্ষ্য।
- জাতীয় ক্যানসার দিবস: ৪ ফেব্রুয়ারি। ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এর প্রতিরোধে কাজ করার উদ্দেশ্যে এই দিবস পালিত হয়।
- জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস: ৫ ফেব্রুয়ারি। গ্রন্থাগারের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য এই দিবস পালন করা হয়।
- শহীদ দিবস / আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: ২১ ফেব্রুয়ারি। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং মাতৃভাষার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
- জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস: ২৫ ফেব্রুয়ারি। স্থানীয় সরকারের ভূমিকা এবং জনগণের সেবা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই দিবস উদযাপিত হয়।
- জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস: ২৭ ফেব্রুয়ারি। দেশীয় পরিসংখ্যানের গুরুত্ব ও ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
- জাতীয় বিমা দিবস: ১ মার্চ। বিমা খাতের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিমা পলিসির উপকারিতা সম্পর্কে মানুষকে জানানো হয়।
- জাতীয় ভোটার দিবস: ২ মার্চ। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
- জাতীয় পাট দিবস: ৬ মার্চ। পাট শিল্পের উন্নতি এবং পাটের ব্যবহার সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই দিবস পালিত হয়।
- ঐতিহাসিক ৭ মার্চ: ৭ মার্চ। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল সময়সূচীর স্মরণে এই দিবস।
- আন্তর্জাতিক নারী অধিকার দিবস: ৮ মার্চ। নারী অধিকার ও লিঙ্গ সমতার জন্য একত্র প্রচারণার উদ্দেশ্যে এই দিবস পালিত হয়।
- বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস: ১৫ মার্চ। প্রতিবন্ধী মানুষের অধিকার এবং তাদের জন্য সহায়তা বাড়ানোর লক্ষ্যে এই দিবস।
- জাতির পিতার জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস: ১৭ মার্চ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন এবং শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই দিবস পালিত হয়।
- বিশ্ব পানি দিবস: ২২ মার্চ। পানির অপচয় রোধ এবং জলসম্পদের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।
- বিশ্ব আবহাওয়া দিবস: ২৩ মার্চ। আবহাওয়া পরিবর্তন এবং এর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো হয়।
- বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস: ২৪ মার্চ। যক্ষ্মা রোগের সচেতনতা এবং এর প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালানো হয়।
- গণহত্যা দিবস: ২৫ মার্চ। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গণহত্যার স্মরণে এই দিবস পালিত হয়।
- স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস: ২৬ মার্চ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং জাতির মুক্তির দিন হিসেবে এই দিবস উদযাপিত হয়।
- জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস: ৩ এপ্রিল। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়ন এবং সংস্কৃতির প্রচারে অবদান রাখার লক্ষ্যে এই দিবস।
- আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস: ৬ এপ্রিল। ক্রীড়ার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক উন্নতি নিশ্চিত করতে উৎসাহ প্রদান করা হয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস: ৭ এপ্রিল। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়ন ও সুস্থ জীবনযাপন নিশ্চিত করার জন্য এই দিবস উদযাপিত হয়।
- মুজিবনগর দিবস: ১৭ এপ্রিল। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম অস্থায়ী সরকার প্রতিষ্ঠার দিন হিসেবে এই দিবস পালন করা হয়।
- বিশ্ব মেধা সম্পদ দিবস: ২৬ এপ্রিল। মেধা ও প্রযুক্তির অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
- জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস: ২৮ এপ্রিল। আইনগত সহায়তার প্রয়োজনীয়তা এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।
- জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস: ২৮ এপ্রিল। কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই দিবস পালন করা হয়।
- মে দিবস: ১ মে। শ্রমিকদের অধিকার এবং শ্রম আইন নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
- বিশ্ব প্রেস ফ্রিডম দিবস: ৩ মে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষার জন্য এই দিবস।
- আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস: ৮ মে। মানবিক সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাজ ও ভূমিকা তুলে ধরা হয়।

আপনার অনুমতির জন্য ধন্যবাদ। বাকি দিবসগুলো নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো:
- বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস: ১৫ মে। টেলিযোগাযোগ খাতের অগ্রগতি এবং বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো হয়।
- বৌদ্ধ পূর্ণিমা দিবস: ২৩ মে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবস, যা বুদ্ধের জন্ম, মৃত্যু ও বোধিরূপ অর্জনের স্মরণে পালিত হয়।
- নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস: ২৮ মে। মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নতি এবং নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়।
- বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস: ৩১ মে। তামাক ব্যবহার রোধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসাধারণকে জানানো হয়।
- জাতীয় চা দিবস: ৪ জুন। চা শিল্পের গুরুত্ব এবং চায়ের উৎপাদন ও ভোক্তা বাজারের প্রসার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস: ৫ জুন। পরিবেশের সুরক্ষা ও উন্নয়ন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ দূষণ রোধে প্রচারণা চালানো হয়।
- বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস: ৯ জুন। মানসম্পন্ন সেবা ও উৎপাদনের জন্য অ্যাক্রেডিটেশন সিস্টেমের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
- বিশ্ব খরা ও মরুকরণ প্রতিরোধ দিবস: ১৭ জুন। খরা ও মরুকরণ সমস্যার সমাধানে বিভিন্ন দেশের উদ্যোগ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।
- মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস: ২৬ জুন। মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পালিত হয়।
- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস: ১১ জুলাই। জনসংখ্যার বৃদ্ধির প্রভাব, জনসংখ্যা নীতি এবং বিশ্বের জনসংখ্যা সমস্যার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
- জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস: ২৩ জুলাই। সরকারি সেবা ও জনসেবা কার্যক্রমে সততা, দক্ষতা এবং নিষ্ঠা বজায় রাখার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
- আন্তর্জাতিক সমবায় দিবস: জুলাই মাসের প্রথম শনিবার। সমবায় ব্যবস্থার গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে সারা বিশ্বে জনগণের কল্যাণ অর্জনের প্রচার করা হয়।
- শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী: ৫ আগস্ট। শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জীবনের অবদান এবং দেশের প্রতি তাঁর সেবা ও আত্মত্যাগের স্মরণে পালিত হয়।
- বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী: ৮ আগস্ট। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অবদান ও কৃতিত্ব স্মরণে পালিত হয়।
- জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস: ৯ আগস্ট। জ্বালানি ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পালিত হয়।
- জাতীয় শোক দিবস: ১৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের স্মরণে পালন করা হয়।
- আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস: ৮ সেপ্টেম্বর। সাক্ষরতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার লক্ষ্য নিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।
- আন্তর্জাতিক ওজোন সংরক্ষণ দিবস: ১৬ সেপ্টেম্বর। ওজোন স্তরের ক্ষতি এবং তার সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা হয়।
- বিশ্ব পর্যটন দিবস: ২৭ সেপ্টেম্বর। পর্যটন শিল্পের উন্নতি এবং পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় এর ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
- বিশ্ব নৌ দিবস: সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ। নৌ পরিবহন, সমুদ্র বাণিজ্য ও বিশ্বের নৌ নিরাপত্তা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
- বিশ্ব হার্ট দিবস: সেপ্টেম্বর মাসের চতুর্থ রবিবার। হৃদরোগের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
- আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস: ১ অক্টোবর। প্রবীণ ব্যক্তিদের জন্য সমাজের সহানুভূতি ও সম্মান প্রদর্শনের লক্ষ্য নিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।
- জাতীয় পাট উৎপাদনশীলতা দিবস: ২ অক্টোবর। পাট শিল্পের উন্নতি এবং এর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
- বিশ্ব শিক্ষক দিবস: ৫ অক্টোবর। শিক্ষক সমাজের অবদান, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি ও মানোন্নয়ন নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
- জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস: ৬ অক্টোবর। জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সিস্টেমের গুরুত্ব এবং এর ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।
- বিশ্ব ডাক দিবস: ৯ অক্টোবর। ডাক সেবার অগ্রগতি এবং এর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
- বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস: ১০ অক্টোবর। মানসিক স্বাস্থ্য এবং মানসিক রোগের সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
- আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস: ১৩ অক্টোবর। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্ব প্রস্তুতি এবং দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো হয়।
- দুর্গাপূজা: ১৩ অক্টোবর। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব, যা দেবী দুর্গার পূজা উপলক্ষে পালিত হয়।
- বিশ্ব খাদ্য দিবস: ১৬ অক্টোবর। ক্ষুধা দূরীকরণ এবং খাদ্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিবসটি পালিত হয়।
- শেখ রাসেল দিবস: ১৮ অক্টোবর। শেখ রাসেল, বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্রের স্মরণে দিবসটি পালন করা হয়।
- জাতিসংঘ দিবস: ২০ অক্টোবর। জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।
- জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস: ২২ অক্টোবর। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পালন করা হয়।
- শিশু অধিকার দিবস: অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার। শিশুদের অধিকার, শিক্ষা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে দিবসটি পালন করা হয়।
- বিশ্ব বসতি দিবস: অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার। বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরি ও উন্নয়ন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।
- বিশ্ব সাদা ছড়ি দিবস: অক্টোবর মাসে। অন্ধ ব্যক্তিদের জন্য সাদা ছড়ি ব্যবহারের গুরুত্ব এবং তাদের অধিকার নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।
- জাতীয় যুব দিবস: ১ নভেম্বর। যুবদের জন্য কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও উন্নয়ন বৃদ্ধি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা হয়।
- জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস: ২ নভেম্বর। রক্তদান এবং চক্ষুদান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এগুলোর উপকারিতা সম্পর্কে জনসাধারণকে জানানো হয়।
- জাতীয় সংবিধান দিবস: ৪ নভেম্বর। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন এবং তার গুরুত্বের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রচার করা হয়।
- বিশ্ব ডায়াবেটিক দিবস: ১৪ নভেম্বর। ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং এ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- প্যালেস্টাইনি জনগণের প্রতি আন্তর্জাতিক সহমর্মিতা দিবস: ২৯ নভেম্বর। ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার এবং তাদের উপর আন্তর্জাতিক সহিংসতা ও শোষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করা হয়।
- জাতীয় সমবায় দিবস: নভেম্বর মাসের প্রথম শনিবার। সমবায় সংগঠনগুলোর কার্যক্রম, এর উপকারিতা এবং সামাজিক উন্নয়নে এর ভূমিকা নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।
- বিশ্ব এইডস দিবস: ১ ডিসেম্বর। এইচআইভি/এইডস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আক্রান্তদের জন্য সহানুভূতির সৃষ্টি করা হয়।
- জাতীয় বস্ত্র দিবস: ৪ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্পের গুরুত্ব, উন্নতি এবং রপ্তানি খাতে অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস: ৯ ডিসেম্বর। দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।
- বেগম রোকেয়া দিবস: ৯ ডিসেম্বর। নারী শিক্ষা, উন্নয়ন এবং বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের অবদান স্মরণে এই দিবসটি পালিত হয়।
- বিশ্ব মানবাধিকার দিবস: ১০ ডিসেম্বর। মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা এবং সকল মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দিবসটি পালিত হয়।
- স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস: ১২ ডিসেম্বর। ডিজিটাল বাংলাদেশ, প্রযুক্তি ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে দিবসটি পালিত হয়।
- বিজয় দিবস: ১৬ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিজয় এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে জাতীয় দিবস।
- আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস: ১৮ ডিসেম্বর। অভিবাসীদের অধিকার ও তাদের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং অভিবাসনের সমস্যা ও চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করা হয়।
- বড় দিন: ২৫ ডিসেম্বর। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব, যেটি যিশুর জন্মদিন হিসেবে পালিত হয়।
- জাতীয় জীববৈচিত্র্য দিবস: ২৯ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
- জাতীয় প্রবাসী দিবস: ৩০ ডিসেম্বর। প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান এবং তাদের সমস্যা ও অধিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- জাতীয় টিকা দিবস: বছরের শুরুতে নির্ধারণযোগ্য। টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ এবং শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়ন নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
২০২৫ সালের এই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো আমাদের সমাজ, সংস্কৃতি এবং ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই দিবসগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জানা খুব জরুরি। প্রতিটি দিবসের তাৎপর্য বুঝে মনে রাখলে আপনার সাধারণ জ্ঞানের ভিত্তি আরও মজবুত হবে। আশা করি, এই তালিকাটি আপনার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে। শুধু পরীক্ষার জন্যই নয়, দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবেও এই দিবসগুলোর গুরুত্ব বোঝা উচিত।
এই টপিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি প্রশ্ন ও উত্তর:
১. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কবে পালিত হয় এবং এর তাৎপর্য কী?
উত্তর: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালিত হয়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এই দিবসটি পালিত হয়, যারা মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য আত্মত্যাগ করেছিলেন।
২. বাংলাদেশে কত তারিখে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়?
উত্তর: বাংলাদেশে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
৩. জাতীয় শোক দিবস কেন ১৫ আগস্ট পালন করা হয়?
উত্তর: জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট পালন করা হয়, কারণ ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।
৪. বিশ্ব পরিবেশ দিবস কোন তারিখে এবং এর মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: বিশ্ব পরিবেশ দিবস ৫ জুন পালিত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো পরিবেশের সুরক্ষা ও উন্নয়ন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং পরিবেশ দূষণ রোধে মানুষকে উৎসাহিত করা।
৫. আন্তর্জাতিক নারী অধিকার দিবস কবে এবং এর লক্ষ্য কী?
উত্তর: আন্তর্জাতিক নারী অধিকার দিবস ৮ মার্চ পালিত হয়। এর লক্ষ্য হলো নারী অধিকার, লিঙ্গ সমতা এবং নারীদের সমাজে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচারণা চালানো।