Friday , 29 August 2025

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ২০২৫

বাংলাদেশে শিক্ষকতা একটি সম্মানজনক পেশা। আর এই পেশায় প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক হিসেবে যোগদানের স্বপ্ন দেখেন হাজারো তরুণ-তরুণী। সেই স্বপ্ন পূরণের জন্যই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA) প্রতিবছর এই পরীক্ষার আয়োজন করে।

২০২৫ সালকে লক্ষ্য করে যারা ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই লেখাটি একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে। এখানে আমরা কোনো রকম জটিলতা ছাড়াই, সহজ ও সরল ভাষায় পুরো প্রস্তুতি প্রক্রিয়া, পরীক্ষার নিয়মাবলী এবং সেরা কিছু কৌশল নিয়ে আলোচনা করব। আমাদের লক্ষ্য হলো আপনাকে এমনভাবে তথ্য দেওয়া, যা আপনার প্রস্তুতিকে আরও সহজ ও কার্যকর করে তুলবে। চলুন, আপনার সাফল্যের পথে প্রথম ধাপটি শুরু করা যাক।

কেন শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ?

প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ প্রার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর মধ্যে থেকে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করা নিঃসন্দেহে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সঠিক পরিকল্পনা এবং গোছানো প্রস্তুতি ছাড়া এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব। তাই পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার জন্য অপেক্ষা না করে, আজ থেকেই একটি কার্যকর রুটিন তৈরি করে প্রস্তুতি শুরু করা বুদ্ধিমানের কাজ। একটি ভালো প্রস্তুতি শুধু আপনার আত্মবিশ্বাসই বাড়াবে না, বরং সাফল্যের সম্ভাবনাও অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে।

পরীক্ষার ধাপসমূহ: আপনাকে যা যা পার হতে হবে

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা মূলত তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি ধাপেই সফলভাবে উত্তীর্ণ হতে হয়। আসুন, ধাপগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেওয়া যাক।

১. প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (Screening Test): এটি হলো বাছাই পর্ব এবং পরীক্ষার প্রথম ধাপ। এখানে মূলত আপনার সাধারণ জ্ঞান ও মেধা যাচাই করা হয়।

  • মোট নম্বর: ১০০
  • সময়: ১ ঘণ্টা
  • প্রশ্নের ধরণ: বহুনির্বাচনী (MCQ)
  • বিষয়: বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান – এই চারটি বিষয়ে ২৫টি করে মোট ১০০টি প্রশ্ন থাকে।
  • নেগেটিভ মার্কিং: প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হয়। তাই নিশ্চিত না হয়ে উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

২. লিখিত পরীক্ষা (Written Exam): প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই কেবল লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন। এটি আপনার বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের গভীরতা যাচাই করে।

  • মোট নম্বর: ১০০
  • সময়: ৩ ঘণ্টা
  • প্রশ্নের ধরণ: বর্ণনামূলক বা রচনামূলক।
  • বিষয়: আপনি আবেদন করার সময় যে বিষয়টি নির্বাচন করবেন, সেই বিষয়ের উপরই আপনাকে পরীক্ষা দিতে হবে। যেমন: বাংলা, ইংরেজি, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, ইতিহাস ইত্যাদি।

৩. মৌখিক পরীক্ষা (Viva Voce): লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে আপনাকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। এটিই চূড়ান্ত ধাপ।

  • মোট নম্বর: ২০
  • উদ্দেশ্য: এখানে আপনার ব্যক্তিত্ব, উপস্থাপনার দক্ষতা, যোগাযোগের ক্ষমতা, মানসিক দৃঢ়তা এবং বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান যাচাই করা হয়। মার্জিত আচরণ ও आत्मविश्वास এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি: প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সেরা কৌশল

প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভালো করতে হলে প্রতিটি বিষয়ে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। নিচে প্রতিটি বিষয়ের জন্য একটি সহজ প্রস্তুতি কৌশল আলোচনা করা হলো।

বাংলা (২৫ নম্বর) বাংলা অংশে ভালো করার জন্য মূলত ব্যাকরণ এবং সাহিত্য—এই দুই দিকেই মনোযোগ দিতে হবে।

  • ব্যাকরণ: নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড ব্যাকরণ বইটি ভালোভাবে পড়ুন। সন্ধি, সমাস, কারক ও বিভক্তি, উপসর্গ, প্রত্যয়, প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, বাগধারা এবং এক কথায় প্রকাশের মতো টপিকগুলো থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন আসে।
  • সাহিত্য: বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ কবি-সাহিত্যিকদের জীবন ও তাদের বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে ধারণা রাখুন। বিশেষ করে প্রাচীন ও মধ্যযুগ এবং আধুনিক যুগের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিকদের (যেমন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, জসীমউদ্‌দীন) সম্পর্কে জানুন।

ইংরেজি (২৫ নম্বর) অনেক পরীক্ষার্থী ইংরেজি অংশে ভয় পান, কিন্তু নিয়মিত চর্চা করলে এখানে ভালো নম্বর তোলা সম্ভব।

  • Grammar: ইংরেজির মূল ভিত্তি হলো গ্রামার। Parts of Speech, Tense, Voice Change, Narration, Preposition, Articles এবং Right form of Verbs এর নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
  • Vocabulary: প্রতিদিন অন্তত ১০টি নতুন ইংরেজি শব্দ (Synonym ও Antonym সহ) শেখার অভ্যাস করুন। বিগত বছরের প্রশ্নগুলো সমাধান করলে Vocabulary অংশে ভালো ধারণা পাওয়া যায়।

সাধারণ গণিত (২৫ নম্বর) গণিতে ভালো করতে হলে নিয়মিত অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই।

  • পাটিগণিত: লাভ-ক্ষতি, শতকরা, সুদকষা, অনুপাত-সমানুপাত, গড়, এবং ল.সা.গু ও গ.সা.গু – এই অধ্যায়গুলো থেকে প্রশ্ন আসবেই।
  • বীজগণিত: মান নির্ণয়, উৎপাদক এবং সহজ সমীকরণ সমাধানের নিয়মগুলো দেখুন।
  • জ্যামিতি: ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বৃত্ত সম্পর্কিত সাধারণ সূত্র এবং কোণ সম্পর্কিত মৌলিক ধারণাগুলো পরিষ্কার রাখুন।

সাধারণ জ্ঞান (২৫ নম্বর) এই অংশটি বেশ বড় হলেও নির্দিষ্ট কিছু টপিক থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।

  • বাংলাদেশ বিষয়াবলি: বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কিত তথ্য ভালোভাবে জানুন। সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ, ভৌগোলিক অবস্থান, জাতীয় অর্জন এবং সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি সম্পর্কে পড়ুন।
  • আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা (যেমন: জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক), বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজধানী ও মুদ্রা, বিখ্যাত চুক্তি এবং সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহের দিকে নজর রাখুন।
  • দৈনিক বিজ্ঞান: দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিজ্ঞান সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন আসতে পারে।

লিখিত পরীক্ষার জন্য গভীর ও গোছানো প্রস্তুতি

প্রিলিমিনারি ধাপ পার করার পর আপনার মূল চ্যালেঞ্জ হবে লিখিত পরীক্ষা। এখানে যেহেতু বিষয়ভিত্তিক গভীরতা যাচাই করা হয়, তাই প্রস্তুতিও হতে হবে নিবিড়।

  • নিজের বিষয়ে সেরা হোন: আপনি যে বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন, সেই বিষয়ের ওপরই লিখিত পরীক্ষা হবে। তাই নিজের একাডেমিক বইগুলো আবার ভালোভাবে পড়ুন। স্নাতক পর্যায়ের বইগুলোকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন।
  • উত্তর লেখার কৌশল: লিখিত পরীক্ষায় নম্বর পাওয়ার জন্য শুধু সঠিক তথ্য জানাই যথেষ্ট নয়, বরং সুন্দরভাবে উপস্থাপন করাও জরুরি। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর একটি ভূমিকা, মূল অংশ এবং উপসংহার দিয়ে সাজানোর চেষ্টা করুন। প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে চার্ট, চিত্র বা উদ্ধৃতি ব্যবহার করলে আপনার খাতা অন্যদের থেকে আলাদা হবে।
  • হাতের লেখা ও পরিচ্ছন্নতা: পরীক্ষকের মন জয় করার জন্য সুন্দর ও স্পষ্ট হাতের লেখার গুরুত্ব অনেক। উত্তরপত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। অযথা কাটাকাটি করবেন না।
  • বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ: বিগত বছরগুলোর লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নগুলো সংগ্রহ করে সমাধান করুন। এতে প্রশ্নের ধরন, নম্বর বণ্টন এবং কোন অধ্যায়গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সে সম্পর্কে আপনার একটি স্বচ্ছ ধারণা তৈরি হবে।

প্রস্তুতিকে নিখুঁত করার আরও কিছু কৌশল

একটি ভালো পরিকল্পনা আপনার প্রস্তুতিকে অন্যদের চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে রাখতে পারে। নিচে আরও কিছু কার্যকর কৌশল দেওয়া হলো।

১. সময় ব্যবস্থাপনা (Time Management): সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো সময়ের সঠিক ব্যবহার। একটি দৈনিক রুটিন তৈরি করুন এবং প্রতিটি বিষয়ের জন্য নির্দিষ্ট সময় ভাগ করে নিন। যে বিষয়টি আপনার কাছে কঠিন মনে হয়, তার জন্য একটু বেশি সময় দিন। শুধু পড়লেই হবে না, যা পড়েছেন তা মনে রাখার জন্য রিভিশনের জন্যও সময় রাখতে হবে।

২. মডেল টেস্ট দিন, নিজেকে যাচাই করুন: প্রস্তুতির একটি পর্যায়ে এসে নিয়মিত মডেল টেস্ট দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

  • ভুল চিহ্নিত করা: মডেল টেস্ট আপনাকে আপনার দুর্বল জায়গাগুলো খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে।
  • সময় জ্ঞান বাড়ানো: পরীক্ষার হলের পরিবেশে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার অভ্যাস তৈরি হবে।
  • আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: নিয়মিত মডেল টেস্ট দিলে পরীক্ষার ভয় কেটে যায় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

৩. স্মার্ট নোট তৈরি করুন: বইয়ের সব তথ্য মনে রাখা কঠিন। তাই পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো দিয়ে ছোট ছোট নোট তৈরি করার অভ্যাস করুন। পরীক্ষার আগে এই সংক্ষিপ্ত নোটগুলো রিভিশন দিতে খুব কাজে দেবে। কঠিন তথ্যগুলো মনে রাখতে চার্ট, টেবিল বা ডায়াগ্রামের সাহায্য নিতে পারেন।

৪. স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল: প্রস্তুতির চাপে স্বাস্থ্যের কথা ভুলে গেলে চলবে না। মনে রাখবেন, একটি সুস্থ শরীরই পারে ভালোভাবে পড়াশোনা করতে। তাই প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান, স্বাস্থ্যকর খাবার খান এবং হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করুন। পরীক্ষার আগে অসুস্থ হয়ে পড়লে আপনার পুরো প্রস্তুতিই বৃথা যেতে পারে।

সাধারণ জিজ্ঞাসাসমূহ (Frequently Asked Questions – FAQs)

প্রশ্ন ১: ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি কখন হতে পারে?

উত্তর: সাধারণত একটি পরীক্ষার সকল প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেই হিসেবে, ২০২৫ সালের শুরুর দিকে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বশেষ তথ্যের জন্য নিয়মিত NTRCA-এর ওয়েবসাইট দেখুন।

প্রশ্ন ২: প্রিলিমিনারি পাসের জন্য কত নম্বর পেতে হবে?

উত্তর: প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পাস নম্বর ৪০%। অর্থাৎ, ১০০ নম্বরের মধ্যে আপনাকে কমপক্ষে ৪০ পেতে হবে। তবে যেহেতু এটি একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, তাই কেবল পাস নম্বর পেলেই লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত নাও হতে পারেন। পদ সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রার্থীকে টেকানো হয়।

প্রশ্ন ৩: লিখিত পরীক্ষায় কি নেগেটিভ মার্কিং আছে?

উত্তর: না, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার লিখিত অংশে কোনো নেগেটিভ মার্কিং নেই। নেগেটিভ মার্কিং শুধুমাত্র প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য প্রযোজ্য।

প্রশ্ন ৪: প্রস্তুতির জন্য প্রতিদিন কত ঘণ্টা পড়া উচিত?

উত্তর: এটি মূলত আপনার মেধা ও বর্তমান প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করে। তবে, ভালো একটি প্রস্তুতির জন্য প্রতিদিন নিয়মিতভাবে ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা উচিত।

প্রশ্ন ৫: ভাইভা পরীক্ষায় ভালো করার সেরা উপায় কী?

উত্তর: ভাইভা বোর্ডে আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রবেশ করুন, পোশাক মার্জিত রাখুন এবং প্রশ্নকর্তার সাথে ভদ্রভাবে কথা বলুন। নিজের পঠিত বিষয় এবং সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখুন। কোনো প্রশ্নের উত্তর না জানলে বিনয়ের সাথে বলুন যে আপনি বিষয়টি জানেন না।

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা, একটি গোছানো পরিকল্পনা এবং আপনার কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়। মনে রাখবেন, আপনার স্বপ্ন পূরণের পথে প্রতিটি চেষ্টাই মূল্যবান। হতাশ না হয়ে নিজের প্রস্তুতির ওপর বিশ্বাস রাখুন এবং নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যান।

Check Also

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি সম্পূর্ণ সিলেবাস ও প্রস্তুতি গাইড ২০২৫

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি সম্পূর্ণ সিলেবাস ও প্রস্তুতি গাইড ২০২৫

শিক্ষকতা একটি মহৎ পেশা, আর এই পেশায় যুক্ত হওয়ার প্রথম ধাপ হলো শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। …

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন সিলেবাস ২০২৫ - 19th NTRCA Syllabus 2025

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন সিলেবাস ২০২৫ – 19th NTRCA Syllabus 2025

২০২৫ সালের ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (19th NTRCA Exam) এর সিলেবাস প্রকাশ হয়েছে। এই সিলেবাসে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *